twitter
    Find out what I'm doing, Follow Me :)

Freelancer - Start bidding

বিঃ দ্রঃ এডভার্টাইজে ক্লিক দিয়ে আয়(PTC) করার কথা বলছি না, একদম নিশ্চিন্ত থাকুন।






Click On me.



Freelancer এ শুরুটা কীভাবে করবেন সেটা দেখতে ক্লিক করুন এখানে ->Starting the journey


Freelance Jobs


এখন Make Money তে মাউসের কারসর রাখলেই ড্রপডাউন মেন্যু আসবে। ওখানে প্রথমেই আছে Bid on Projects. এখানে ক্লিক করুন। ছবিতে দেয়া আছে।








আবার আগের ক্যাটেগরি গুলো ওপেন হবে। তবে, এবার আর ওগুলার পাশে টিক দেয়ার জন্য বক্স দেখাবে না। যেগুলাতে আপনি আগে ক্লিক দিয়েছিলেন, ওগুলা লাল হয়ে থাকবে। আপনার যেটায় ভাল লাগে, সেটার উপর ক্লিক করে ঢুকে পড়ুন। দেখেন, ওই ক্যাটেগরিতে যত প্রজেক্ট আছে, সব লিস্ট এসে পড়বে।
শেষ যেটা দেয়া হয়েছে, সেটা সবার আগে আসবে।



এগুলার মাঝে যেটা আপনার ভাল লাগবে, সেটার উপর মাউজের কারসর রাখলেই তার ডিসক্রিপশন দেখাবে। অনেক সময় ডিসক্রিপশনেই দেখা যায় যে, কত Dollar ওরা দিতে পারবে সেটা ফিক্স করে দেয়া। সেটা দেখে নিন যে, আপনার ওতে পোষাবে কী না।
সবসময় মনে রাখুন, আপনার হাতে Dollar থাকলে, আপনি আপনার মত নতুন ব্যাক্তিকে কত Dollar দিতেন এই রকম একটা কাজের জন্য।
তাহলে লাভ লোকসানের ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে।
















এখন হেডিং এর উপরে রাইট ক্লিক করে Open in new Tab দিন। এভাবে যতগুলোর বর্ণনা পরে আপনার ভাল লাগবে, সেগুলা New Tab এ ওপেন করুন। এখন বিড পেইজ ওপেন হল। এখন নিচের ছবিটা দেখুন। কিছু জিনিস আমি পয়েন্ট করে দিয়ে দিচ্ছি।













 ১ হল বিড কাউন্ট আর এভারেজ বিড।বিড কাউন্ট মানে মোট কয়জন এখানে বিড করেছে। এভারেজ বিড দিয়ে বুঝানো হয় যে, গড়ে প্রত্যেকে এই কাজের জন্য কত টাকা করে চেয়েছে। আপনি হয়ত ভাবছেন একটা আইডিয়া পেলেন যে কাজের মূল্যটা আসলে কত !!
কিন্তু না! সাবধান। এখানে ভেজাল আছে।
আমার মনে হয়, ফ্রিল্যান্সারে কিছু গ্রুপ কাজ করে। এরা বিভিন্ন একাউন্ট দিয়ে লগ ইন করে অস্বাভাবিক বেশি প্রজেক্টের দাম বলে। এ কারণে, প্রজেক্টের এভারেজ বিড বেড়ে যায় অনেক। এতে করে, যোগ্য মূল্য আপনার কাছে কম মনে হবে অনেক। আর অনেকেই কাজটা ছেড়ে দিবে।
সুতরাং এভারেজ বিড দেখে বর্তমানে কাজের মূল্য ধারণা না করাই ভাল।


২ এ দেখায় দেশের নাম। জ্বী, উদাহরণ দেয়ার জন্য প্রজেক্ট খুঁজছিলাম, দেখি বাংলাদেশী একজন কাজ দিয়েছেন। হ্যা, বাংলাদেশীরাও এখন এগিয়ে আসছে।

কোন দেশের প্রজেক্ট ওউনার এটা বড় একটা ব্যাপার। আপনি তাৎপর্য বুঝছেন না?
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ইন্ডিয়ার এবং বিশেষ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের প্রজেক্ট অউনারের কাজ নেয়ার সময় ১০০ বার ভাববেন। পাকিস্তানীদের আমি একেবারেই বিশ্বাস করি না। পরে টাকা না দিলে? ওরা লোভ দেখালেও তাই যাই না।
যাক, ইন্ডিয়ার প্রজেক্ট ওউনারের মত কিপটা আর খাচ্চর স্বভাবের লোক আর হয় না।
কারণ, বাংলাদেশ ইন্ডিয়া পাকিস্তান সবখানেই যারা কাজ করে, বসেরা তাদেরকে খুব ছোট চোখে দেখে। বাইরে, ময়লাওয়ালাকেও এত ছোট চোখে দেখে না। বস আর চাকরীজীবীর খারাপ সম্পর্ক সবখানেই। কিন্তু শুধু এই দিকেই বসেরা নজরটাই ছোট করে দেখে।

ইন্ডিয়ান কাজ পেলে দেখবেন, দেয়া আছে অনেক কিছু।
সবখানেই থাকে যে, অরিজিনাল হতে হবে, গ্রামার ভাল থাকতে হবে। এখানে পাবেন এক্সট্রা, কী_ওয়ার্ড তার মন মত পরিমাণে থাকতে হবে। কথপোকথন স্টাইলে আর্টিকেল হতে হবে, গ্রামার ভুল হলে সে টাকা দিবে না, তার যতবার ইচ্ছা আর্টিকেল চেঞ্জ করাতে পারবে, এই লাগবে সেই লাগবে। খেয়াল করবেন যে এদের ভাষাটাই অন্য রকম। আবার ব্যাপার আছে, এরা মাইলস্টোন দিবে না। মানে, পরে টাকা না দিলে, ভাল হয়নি বলে ঘুরালে, আপনার কিছু করার নেই। এতক্ষণে ভাষা শুনে নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে যে এরা এমন জবরদস্ত রাইটার চাচ্ছে, নিশ্চয়ই অনেক Dollar দিবে?

হা হা, ভুলে যান। সবচেয়ে কম Dollar দিবে এরা। আমেরিকানরাও কম দেয়। তবে, ইন্ডিয়ানরা এত কিছু চেয়ে এত টপ লেভেল সার্ভিস চেয়ে একদম কম Dollar একেবারে ফিক্সড করে দিবে। কারণ, তারা জব মার্কেটের অবস্থা বুঝে । তারা জানে, তাদের কাজ করার জন্য বহু ফ্রিল্যান্সার বসেই আছে।

ইন্ডিয়ানদের দিক থেকে চিন্তা করলে ওরাও, ঠিক, কে চায় নিজের লস? তাই একই ভাবে আপনাকেও নিজের লাভ লস বুঝে চলতে হবে।

 একেবারে সবাই খারাপ, তা নিশ্চয়ই না। কিন্তু আমি যত কাজ করেছি, কোন অভিজ্ঞতাই ভাল না আমার। আর, আমি ত শুধু ফ্রিল্যান্সারে না, আরও অন্য অনেক জায়গা থেকে ক্লায়েন্ট পাই। সবখানে অভিজ্ঞতা কাছাকাছি।

৩ এ কাজের ধরণ-বর্ণনা ভাল মত পড়বেন। যদি মনে হয় পারবেন, তাহলে ৪ এ প্রজেক্ট বিড করেন।




































এখন থেকে আপনার কাজ আপনার উপর। ১ এ দেখেন, কয়টা বিড বাকি আপনার। প্রতি মাসে ৩০ তা বিড করতে দেয় ফ্রি মেম্বারদের মাত্র। প্রথমে মনে হয় ৩০ টা !! পরে, কাজ করতে গেলে বুঝবেন, দরকারের তুলনায় বেশ কম। এবার এই কয়েকদিনেই আমার ১৫ টা শেষ। আমি হয়ত আজকেই গোল্ড মেম্বারশিপ কিনে নিব। তাহলে আনলিমিটেড বিড করা যায়।

২ এ দেখেন, প্রাইস রেঞ্জ। সাধারণত ৩০Dollar থেকে ২৫০Dollar পর্যন্ত রেঞ্জ হয়। এখন চাইল ২ টা আর্টিকেল। এখন আপনি ত ৩০ Dollar দাবী করতে পারবেন না। তাই না? কিন্তু ২ এর ঘরে আপনাকে ৩০ Dollar -ই লিখতে হবে। তাহলে, আপনার একুরেট প্রাইসটা কোথায় জানাবেন, সেটা আমি পরে বলছি।

এরপরে দিবেন যে আপনি কত সময়ে সম্পূর্ণ কাজটা শেষ করতে পারবেন। নতুন অবস্থায় এক দিনে ৩টার বেশি আর্টিকেল ধরবেন না। সে অনুযায়ী হিসাব করবেন।

৪ হচ্ছে Milestone মানে, কাজ শুরুর আগে, আপনি যদি চান যে প্রজেক্ট ওউনার ফ্রিল্যান্সার সাইটে Dollar দিয়ে রাখুক, তাহলে কত পার্সেন্ট দিতে হবে, সেটা উল্লেখ করা লাগে। ৩০% দেন।

৫ এ আপনি যা লিখবেন, ঐ যেখানে প্রজেক্টের মূল বর্ণনা দেয়া, সেখানে সবার লেখার নিচে আপনার লেখা আসবে। অর্থাৎ সবাই দেখতে পারবে যে আপনি বিড করেছেন আর কী কথা বলেছেন।
তাই আমরা এখানে বেশি কথা বলব না।

শুধু লিখে দেন, Sir, kindly check PM.

৬ এ টিক চিনহ দিতে ভুলবেন না। এতে নিচে ম্যাসেজ বএক্স ওপেন হবে। ইনবক্স এ কোথা থেকে যেতে হয় খেয়াল আছে? ঐযে প্রথম দিকে দেখালাম ! এই বক্সে যা ম্যাসেজ দিবেন, তা আপনার ওখানে সেন্ট বক্সে জমা হবে। আর প্রজেক্ট ওউনারের ইনবক্সে যাবে। আর কেউ দেখবেও না।
ইদানীং দেখি সবাই এই টেকনিক ফলো করে।


এখন পার্সোনাল ম্যাসেজে কী লিখবেন?
ভাবটা এমন দেখাবেন ওখানে যে আপনি কাজ টা নিলে ঐ ব্যাটা ধন্য। বলবেন এলাকায় আপনার কত বড় ভাই আছে (মানে আগে কোথায় কোথায় কী করছেন, কত এক্সপেরিয়েন্স এই সব)। চোখ বুঝে জানিয়ে দেন, সে যেই কাজ দিয়েছে এমন কাজ আপনি বহু করেছন। কিন্তু সেগুলা বিক্রি করে দিয়েছেন, তাই এখন উনাকে দেখাতে পারবেন না।

আরও জানিয়ে দেন যে প্রতি আর্টিকেল আপনি কত করে নিবেন। টোটাল কত নিবেন। ডেইলি কয়টা দিবেন। টোটাল কত দিনে দিবেন। অর্থাৎ উপরে ২ নাম্বার বক্সে যে সমস্যায় পড়েছিলাম, এখানে হল তার সমাধান।

আমি একটা স্যাম্পল দিয়ে দেই। আপনারা প্লিজ হুবহু আমারটা ব্যাবহার করবেন না। আপনার কাজ, প্রজেক্টের ধরণ সব কিছু নিয়ে কয়েক লাইন মুছে, কয়েক লাইন এডিট করে ব্যবহার করবেন। সব কাজের জন্য একই লেখা দিয়েন না। মেইন জিনিস একই থাকবে। ডেস্কটপে কপি করে রাখেন। কিন্তু প্রজেক্টের ধরণ অনুযায়ী প্রতি জায়গায় শেষের কিছু কথা চেঞ্জ করবেন।

Sir,

I am an experienced blogger and article writer. I am able to write good articles on any subject, which definitely passes copy escape.
I am linking some of my samples here. You can get an idea about my writing and SEO capability (if you want).
1)http://www.diyarticlelibrary.com/Article/What-Should-You-Notice-Before-Buying-An-HD-TV-/117375 (I sold this article.If you want, you can mail him and ask about me)
2)http://ezinearticles.com/?The-Side-Effects-of-Kidney-Dialysis&id=5588381(I sold this article.If you want, you can mail him and ask about me)
3)http://www.articleserve.net/Art/27341/381/Nursing-Entrance-Test-Test-Anxiety-and-Stress.html
4)reviewonanimations.blogspot.com


I demand 3.5$ per article each will contain 500-600 words. I can serve you with 5 articles per day.

Please let me know if you agree.

Regards,
Rizvan Hasan

এইটা আমি আমার বেসিকটা দেখালাম। আমি জমা দেবার সময় সুন্দর করে গুছিয়ে দেই। আরেকটা জিনিস, দয়া করে আবার আমার স্যাম্পল দিয়ে দিবেন না। ওগুলা আসলেই আমার তৈরি করা। আমার নাম দেয়া আছে, আর ক্লায়েন্টও আমার কথাই বলবে। আমি আপনাদের বেসিক ফরম্যাটটা দেখালাম শুধু।

আরেকটা জিনিস। আপনি অবশ্যই ৫০০ শব্দের আর্টিকেলের জন্য ৩.৫ Dollar চাবেন না। নতুন অবস্থা ১ Dollar এও কাজ করেন দরকার হলে। আমি আমার প্রথম  ২৭ টা আর্টিকেল ১.২ Dollar এ করেছি (ফ্রিল্যান্সারে না)। একারণে আমার স্কিলও যথেষ্ট বেড়েছে। আপনি অন্তুত প্রথম ৩ টা কাজ একেবারে কম হলেও করে ফেলেন। 


এখন আপনি যদি কম্পিউটার রিলেটেড কাজ করেন তাহলে কীভাবে মূল্য ঠিক করবেন?

প্রথমে চিন্তা করুন, প্রজেক্টটা কীভাবে করবেন সেটা নিয়ে রিসার্চ, ভাবনা, প্ল্যান করতে কতক্ষণ লাগতে পারে। এরপর ভাবুন, কাজটা হাতে কলমে করতে কতক্ষণ লাগবে? এরপর হিসেব করুন, চেক আর রিচেকের সময়। এবার, পুরা সময়টাকে ঘণ্টায় নিয়ে আপনার ঘণ্টা প্রতি চার্জ দিয়ে গুণ করুন। একটা আইডিয়া পেয়ে গেলেন। এবার ওই প্রজেক্টের লোয়েস্ট বিড দেখুন। দেখেন, ওটাই আপনার পোষাবে কী না। মানে, আপনার ক্যালকুলেশন থেকে ওটা কত কম ? আরেকবার ভাবেন, অবশেষে একটা ডিসিশান নেন।
এভাবে কয়েকটা বিড করার পরে আপনি নিজে থেকেই টের পেয়ে যাবেন যে আপনার কাজের মূল্য কত !

৮ এ স্যাম্পল এটাচ করে দেয়া যায়। আমার প্রতি কাজে এটাচ করতে ভাল লাগে না। তাই আমি লিংক হিসেবে ম্যাসেজেই দিয়ে দেই। কিন্তু কারও কোন এপ্লিকেশন স্যাম্পল হিসেবে দেয়া লাগলে, এটাচ করে পাঠানো হয়।



৯ এ ক্লিক করে বিড দিয়ে দিন।

এখন আপনি ভাবছেন সব শেখা শেষ ?? নারে ভাই। আরও এক পোস্টের দূরত্ব বাকি। স্যাম্পল কী আপনার আছে? পাবেন কোথায়? আর্টিকেল লিখবেন কী করে? আপনি কোডিং বা প্রোগ্রামিং রিলেটেড কাজ করছেন? আপনার ফিউচার টার্গেট কীভাবে সেট করবেন?
তাহলে পরবর্তী পোস্ট দেখেন। এখানে ক্লিক দিন। Guide to light.



যে কোন কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে প্লিজ কমেন্ট করবেন। আমি প্রেরণা পাই। যে কোন পরামর্শ ভাল লাগা, জিজ্ঞাসা থাকলে নিঃসংকোচে কমেন্ট করেন। আপনি Follow বাটনে চাপ দিয়ে নিয়মিত নতুন পোস্টের খবরাখবর রাখতে পারেন । অথবা, ইমেইল সাবস্ক্রিপশন করতে পারেন।

1 comments:

akkamal said...

ভাইজান, আমি ফ্রিল্যান্সারে প্রায় ১ মাস আগে রেজিস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু কোনো বিড করিনি। আজ ২৪ এপ্রিল২০১২ ডাটা এন্টির উপর ২টা বিড করেছি শুধু রেট এবং সময় দিয়ে। সাকসেসফুলি জমা হয়েছে। এখন আমি বুঝতে পারছিনা আমাকে কী কোনো এক্সাম দিতে হবে? আমি কাজ পেলাম কিনা কীভাবে বুঝবো। আমার ইমেইল লিংক থেকে বিড করেছি। আমার কাজ পাওয়ার কনপারমেশন কী ইমেইলে আসবে।

Post a Comment