বিঃ দ্রঃ এডভার্টাইজে ক্লিক দিয়ে আয়(PTC) করার কথা বলছি না, একদম নিশ্চিন্ত থাকুন।
Click On me.
Freelancer এর কমপ্লিট গাইডের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আপনি কী আর্টিকেল অথবা কোডিং রিলেটেড কাজ করছেন? ফ্রিল্যন্সারে ফিউচার প্ল্যান কী?
সহজ উত্তর। ফিউচার প্ল্যান হল রেগুলার ক্লায়েন্ট বানানো। কষ্ট হোক, তবু যদি একবার কারও থেকে কাজ পান, তাকে আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট বানিয়ে ফেলুন। সে যেন পরবর্তিতে যত কাজ দিক, আপনাকে সরাসরি প্রজেক্ট এওয়ার্ড করে দেয়।
মানে, আপনার জন্য প্রজেক্ট টা ফিক্সড করে দেয়।
আরেকটা জিনিস। চেষ্টা করুন, স্কাইপি তে এভেইলেবল থাকতে। অন্তত প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে। ওই সময়টুকু শুধু বিজনেস ক্লায়েন্টদের দিবেন। ফ্রিল্যান্সারেরে পার্সোনাল ম্যাসেজ সিস্টেমে কোন ইমেইল এড্রেস দেয়া যায় না। কিন্তু আমি দেখলাম, স্কাইপি আইডি দিলে ওরা ধরতে পারে না।
ক্লায়েন্ট নিজে থেকে না বললে ও টাকা দেয়ার পরে আপনিই জিজ্ঞাসা করবেন যে, স্যার আপনার পরবর্তি কাজ কী আমি পেতে পারি? স্যার স্যার বেশি করবেন। আপনাকে কাজ দিলে প্রথমেই আপনাকে সুযোগ দেবার জন্য থ্যাংক্স দিবেন।
আপনি কাজ জমা দিলে দেখবেন ওরা( সাউথ ইস্ট এশিয়া বাদে) এমন ভাবে থ্যাংক্স বলতেছে ,যেন আপনি দয়া করে ওদের জন্য আর্টিকেল লিখেছেন। এশিয়া বাদে বাকি ফরেইনারদের এই আচরণটা আমার খুব ভাল লাগে। তাই, আপনি আগে থেকে খাতির করা শুরু করলেও নিজেকে ছোট ভাববেন না।
চেষ্টা করবেন তার স্কাইপি আইডি টাও নিতে। তবে, Dollar দেয়ার আগে না। কার মনে কী থাকে কে জানে !! হয়ত রিপোর্ট করেও বসতে পারে।
কোডিং এর কাজ করলে বিশেষ পরামর্শ
** মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সারে এসে যে আপনাকে কাজ দিয়েছে, সে কিছু হলেও কম্পিউটার বুঝে। বাংলাদেশিরা কিছু বুঝেনা বলে, তাদের থেকে একটা স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বানাতে ৩ হাজার টাকা রেখে দেন। ওখানে আবার এই জিনিস চাইয়েন না। ওই ৬০ টাকার সাইটটাকে ৫৯.৯ টাকা বলবেন (তাহলে দেখতে কম টাকা মনে হয়)।
ওদেরকেও ঘোল খাওয়ানো যায় ঠিকই, কিন্তু এখনি দরকার নাই।
** কখনও সময় অনুযায়ী কাজ করতে না পারলে দয়া করে বাংলাদেশের লোডশেডিং এর অজুহাত দিয়েন না। ডুবন্ত বাংলাদেশকে আর পাড়া দেবার দরকার নেই। তাছাড়া, আপনার ইমেজও কমে আর আপনার উপর তার নির্ভরতাও কমবে।
** কাজ নেবার আগে সে সোর্স কোড সহ চায় কী না, জিজ্ঞাসা করে নিয়েন। সে অনুযায়ী দাম ধরবেন।
**নিজের কী ওয়ার্ডে যত জীবনে যেই সফটওয়্যারের নাম শুনছেন, লিখে ভরে দিয়েন না। চেষ্টা করবেন, নিজেকে কিছু একটার উপর স্পেশালিস্ট হিসেবে প্রমাণ করতে।
মানে, সব খেলা মোটামুটি পারে, এমন লোককে কেউ চায় না। ক্রিকেট বোর্ড চায়, ভাল ক্রিকেট খেলে যে তাকে। সে খারাপ ফুটবল খেললেও কিছু যায় আসে না। তাই, গ্রুপ গ্রুপ করে সফটওয়ারের নাম দেন প্রোফাইল আর কী ওয়ার্ডে। আপনি ব্যানার বা লগো ডিজাইন সংক্রান্ত কাজ করতে চাইলে বলেন - কোরেল, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, গিম্পশপ বা আরও অন্য কিছু থাকলে। কিন্তু নাম বাড়াতে যেয়ে ভিতরে মাইক্রসফট পেইন্টের কথা দেয়ার দরকার নেই।
** যেহেতু কোডিং সংক্রান্ত কাজ এখানে যা আসে, একটু বড়ই হয়। তাই ওদেরকে দেখাবেন যে আপনার একটা কোম্পানী নিদেন পক্ষে একটা টিম আছে। সবাই মিলে কাজ করবেন, তাই আপনি সত্যিই অনেক দ্রুত কাজ শেষ করে দিতে পারবেন ।
তাছাড়া, দেখানোর জন্য না, এমনিতেও এটা একটা ভাল স্ট্র্যাটেজি। টিমের সবার একাউন্ট থাকবে। একেকজন একেকটা বিড করবে। যেই যেটা পাক, সবাই মিলে কাজ করে শেষ করে দিবে আগে আগে।
এভাবে তাড়াতাড়ি কাজ দেখাতে পারলে ক্লায়েন্ট ধরে রাখার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
** ফ্রিল্যান্সারে দেখবেন, এক্সাম দেবার সিস্টেম আছে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। বিভিন্ন বিষয় আর ক্যাটাগরি নিয়ে অনেক কিছু আছে। কিছু কাজ পাবার পরে ৫ Dollar খরচের মত হাতে থাকলে, একটা করে এক্সাম কিনে ফেলবেন। এগুলা পাস করতে পারলে, আপনার প্রোফাইলে দেখায়। আর প্রজেক্ট ওউনারও ধরতে পারে যে আপনি যোগ্য। একেবারে শেষের দুটা এক্সাম দেখবেন ফ্রি। ফ্রিল্যান্সারে আরও কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে ও দুটো দিয়ে ফেলবেন এক সময়।
আর্টিকেল/ রিভিউ/ রিসার্চ/ ট্রান্সলেশন এসব কাজ যারা করতে চান, তাদের জন্য বিশেষ পরামর্শ
সেলফোন ব্যবহার করতে কী ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার হতে হয়?
হয়না কিন্তু। একই ভাবে কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে উপার্জন করতে গেলে, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়াটা আবশ্যক কিছু না।
এই কথাটা মাথাতে প্রথমেই ভাল করে ঢুকিয়ে ফেলুন।
আরেকটা জিনিস। সেটা হল, ইনকাম কখনই সোজা না যদি সেটা সৎ পথে হয়। অসৎ পথে যদিও ইনকাম সোজা হয়, তবুও সেটা একপক্ষের জন্য। আরেকপক্ষের জন্য পুরাটাই লস।
আপনি কত Dollar পাচ্ছেন তার চেয়ে বড় কথা আপনি কী করছেন? একটা আর্টিকেল মানে ছোটখাটো রিসার্চ। আপনি নিজেও কিন্তু জানলেন। তাই না?
copyscape.com আর http://www.paperrater.com/free_paper_grader এখানে যান। দেখেন, আপনি যদি কারও লেখা নকল করে কপি পেস্ট করেন, অথবা এখান থেকে ওখান থেকে লেখা টুকে নেন, এমনকি ফ্রেঞ্চ লেখাও যদি ইংরেজিতে ট্রান্সলেশন করে ফেলেন -- এই দুটো সাইটে সব ধরা যায়। কোনটা থেকে কত % নিছেন, সেটা পর্যন্ত বলে দিচ্ছে। হুবহু। প্ল্যাগারিজম এর % জানিয়ে দিচ্ছে।
তাই সব ধরণের আর্টিকেল জবে বলা থাকে কপিস্কেপ পাস থাকতে হবে ১০০%।
এর চেয়ে গুগলে গুতাগুতি করেন। ভাল লেখা পড়েন। ৭-৮ টা এক টপিকের উপর লেখা পড়লে আপনি সহজেই নিজের ভাষায় আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
রিরাইট প্রজেক্টও মাঝে মাঝে দেয়া থাকে। Dollar কম দেয়। এটা মানে হল, একটা আর্টিকেল এর কিছু শব্দ সিনোনিম করে ওটাকে নিজের বলে চালিয়ে দেয়া। এগুলাতে প্ল্যাগারিজম % ধরা একদম সোজা। আবার এটাও ঠিক যে, এভাবে করলে কাজ অনেক ফাস্ট হয়।
ব্যক্তিগত ভাবে আমি বলব, প্রথম ১ মাস সব কাজ নেন। এর পর আর এসব রিরাইটিং এর কাজ নিয়েন না। কারণ, অরিজিনাল আর্টিকেল লিখতে গেলেও ঘুরে ফিরে ৪-৫ টা আর্টিকেলের কথাই ব্রেইনে থাকে।
সহজে দারুণ কোয়ালিটির আর্টিকেল লেখার আরও কিছু ব্যাপার আছে। আপনি নিজে যখন ১০০ এর উপর আর্টিকেল লিখে ফেলবেন প্রতিটা ৫০০/৬০০ শব্দের মত, তখন আপনি নিজেই বুঝবেন।
আমি এই লাইনেই আছি বলি, সব কিছু শেয়ার করলাম না। তবে আমার এটা নিয়ে ভবিষ্যত প্ল্যান আছে।
ফ্রিল্যান্সারে দেখবেন, এক্সাম দেবার সিস্টেম আছে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। বিভিন্ন বিষয় আর ক্যাটাগরি নিয়ে অনেক কিছু আছে। কিছু কাজ পাবার পরে ৫ Dollar খরচের মত হাতে থাকলে, একটা করে এক্সাম কিনে ফেলবেন। এগুলা পাস করতে পারলে, আপনার প্রোফাইলে দেখায়। আর প্রজেক্ট ওউনারও ধরতে পারে যে আপনি যোগ্য। একেবারে শেষের দুটা এক্সাম দেখবেন ফ্রি। ফ্রিল্যান্সারে আরও কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে ও দুটো দিয়ে ফেলবেন এক সময়।
এখন আসা যাক, স্যাম্পলের কথায়। আপনি যদি একদমই নতুন শুরু করেন। তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার স্যাম্পল থাকবে না। আপনি কিছু বিষয়ে যদি আর্টিকেল তৈরিও করেন, তাহলেও সেগুলা যাদের স্যাম্পল হিসেবে দিবেন, তারা যদি নিজেরা ব্যবজারে করে ফেলে ??
আবার, বার বার প্রতি বিডে স্যাম্পল লিখা ডকুমেন্ট ফাইল আপলোড করাটাও কষ্টের।
এর চেয়ে ভাল, আপনি কয়েক ক্লিকে একটা ব্লগস্পট একাউন্ট বানিয়ে ফেলেন। সুন্দর করে এটাকে সাজান। এখানে আপনার স্যাম্পল গুলা পোস্ট করেন। পরে এসব পেজের লিংক সবখানে দিবেন।
সাইট বানানো(একেবারেই সোজা) বা সাজানো নিয়ে যদি অভিজ্ঞতা না থাকে, অথবা, ধৈর্য্যে না কুলায় তাহলে আমি আপনাদের সবার জন্য একটা সাইট বানিয়ে দিতে পারি।
এখানে শুধু আপনাদের স্যাম্পল আর্টিকেল গুলা থাকবে।
আর, অবশ্যই সেগুলা আপনার নামে থাকবে। এমনকি এই সাইটের লিংক দিয়ে আপনি যদি কোন প্রজেক্ট ওউনারকে বলেন যে, আমার কাছে অমুক দামে বিক্রি করেছেন; সেই প্রযেক্ট ওউনার আমাকে মেইল দিলে আমি তাকে সেটা জানিয়ে দিনে পারি।
এখন কথা হল এই কাজটা ত আপনি অন্য একটা ইমেইল একাউন্ট দিয়েও করতে পারেন বা আপনার যে কোন বন্ধুই পারেন।
এটার উত্তর ২ টা। জ্বী পারেন। আপনি অন্য ইমেইল এড্রেস দিয়েও পারেন বা আপনার বন্ধুও পারেন। তাহলে আরও ভাল। ধরেন, আমি আপনার বন্ধুই। :-D
আরেকটা উত্তর হল, প্রজেক্ট ওউনাররা সাধারণত কাউকে জিজ্ঞাসা করেনা। কিন্তু আপনি শুধু ফ্রি ল্যান্সারে আটকে থাকবেন না নিশ্চয়ই। আপনি বাস্তবেও একসময় ক্লায়েন্ট পাবেন, এখন যেমনটা আমি পাই।
তখন বাস্তবে সে দেখতে পারে যে, একটা ওয়েবসাইটে অনেক লেখকের আর্টিকেল আছে, তখন সেই ওয়েবসাইট আমার বললে, সে হয়ত আমার কথার দাম দিবে।
অর্থাৎ পুরো ব্যাপারটাই খুব আপেক্ষিক। আপনি আপনাদের একটা ওয়েবসাইটের লিংক দেই। সেখানে স্যাম্পল দেয়ার সিস্টেম দেখিয়ে দেই। এখন যদি ওখানে অনেক আর্টিকেল জমা পড়ে, তাহলে আলাদা ভ্যাল্যু আসবে। নইলেও অবশ্য লস নেই। ওখানে আপনার আর্টিকেল যেই পেইজ়ে, সেটাকে আপনার স্যাম্পল হিসেবে সবখানে ব্যবহার করতে পারেন।
(আর এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমি অবশ্যই আপনার আর্টিকেলকে কোন ভাবে ব্যবহার করা হবে না। আপনার নাম লেখা আর্টিকেল আপনারই থাকবে। আমি একটা বিন্দুও ছোঁব না। আপনি নিশ্চিত থাকেন।)
সাইটটা দেখেন এই ঠিকানায়। BEHEMOTH Articles.
আমি আবারও বলছি, এটা শুধুই আপনাদের হেল্প করার জন্য। পুরো ব্যাপারটাকে অন্যভাবে নেয়ার কোন কারণ নেই।
বাংলাদেশে আর কারও আর্টিকেল ডিরেক্টরি আছে কী না জানি না, আমি অন্তত দেখিনি। এটা একটা আর্টিকেল ডিরেক্টরি, এখানে ৫০০ এর বেশি আর্টিকেল লিখেছেন ৩০০ এর বেশি রাইটার। এখানে আপনি নিজে প্রোফাইল খুলতে পারবেন, সেই প্রোফাইল এডিট করে আপনার ইমেইল এড্রেস এবং আপনার যোগ্যতা গুছিয়ে লেখার সুযোগ পাবেন। এই বক্স টা একদম আপনার আর্টিকেলের নিচেই আসবে। স্যাম্পল হিসেবে আর্টিকেল ডিরেক্টরির লিংক যে কোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।
স্যাম্পল আর্টিকেল হিসেবে লিখতে পারেন, সুন্দরবন আর কক্সেজবাজার নিয়ে। ১০০০ শব্দের। আরেকটা লেখেন, ফ্রিল্যান্সার সাইটটা নিয়েই। ৫০০/৬০০ শব্দের। আরেকটা লিখেন আপনার স্বপ্নের হলিডে নিয়ে।৫০০/৬০০ শব্দের। একবারে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। একটা একটা করে লিখেন। আরেকটা জিনিস, কেউ এখন ইনফরমেশন চায় না। ইনফরমেশনের জন্য মানুষ উইকিপিডিয়ায় যায়। মানুষ জানতে চায়, ব্যাপারটা কী! মানুষ যখন কোন কিছু বুঝতে চায় তখনই আর্টিকেল দেখে। ব্যাপারটা এমন যে, একটা সিনেমার সাউন্ড ডিরেক্টরের নাম কেউ জানতে চায় না। এগুলা দিয়ে সিনেমার রিভিউ ভারি করার দরকার নেই আপনার। আপনার কেমন লাগছে সেটা জানাবেন আপনার সাইটে, আর্টিকেলে না। ঐ সিনেমা নিয়ে আর্টিকেল লিখলে, এভাবে লিখবেন যে, ঐ মুভিতে আসলে কী আছে ! তাহলে যে পড়বে,সে বুঝবে যে তার ভাল লাগবে কী না !
আপনারা যদি চান, ঐ সাইটে যার যার স্যাম্পল পড়বে, আমি তার রেটিং ও দিতে পারি।
তবে, আপনি যখন স্যাম্পলের লিংক দিবেন, তখন আপনি আলাদা গুরুত্ব পাবেন অনেক। আর, আমি যে বিষয়ে দিয়েছি, তা নিয়েই লিখতে হবে এমন কথা নেই। আমি ত এমনিই উদাহরণ দিলাম। এগুলা বেশ ভাল চয়েস।
আপনাদের যে কোন প্রশ্ন থাকলে, পরামর্শ বা সমস্যা থাকলে বলতে পারেন। আপনাদের কমেন্টে অণুপ্রাণিত হই।
Click On me.
Freelancer এর কমপ্লিট গাইডের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আপনি কী আর্টিকেল অথবা কোডিং রিলেটেড কাজ করছেন? ফ্রিল্যন্সারে ফিউচার প্ল্যান কী?
সহজ উত্তর। ফিউচার প্ল্যান হল রেগুলার ক্লায়েন্ট বানানো। কষ্ট হোক, তবু যদি একবার কারও থেকে কাজ পান, তাকে আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট বানিয়ে ফেলুন। সে যেন পরবর্তিতে যত কাজ দিক, আপনাকে সরাসরি প্রজেক্ট এওয়ার্ড করে দেয়।
মানে, আপনার জন্য প্রজেক্ট টা ফিক্সড করে দেয়।
আরেকটা জিনিস। চেষ্টা করুন, স্কাইপি তে এভেইলেবল থাকতে। অন্তত প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে। ওই সময়টুকু শুধু বিজনেস ক্লায়েন্টদের দিবেন। ফ্রিল্যান্সারেরে পার্সোনাল ম্যাসেজ সিস্টেমে কোন ইমেইল এড্রেস দেয়া যায় না। কিন্তু আমি দেখলাম, স্কাইপি আইডি দিলে ওরা ধরতে পারে না।
ক্লায়েন্ট নিজে থেকে না বললে ও টাকা দেয়ার পরে আপনিই জিজ্ঞাসা করবেন যে, স্যার আপনার পরবর্তি কাজ কী আমি পেতে পারি? স্যার স্যার বেশি করবেন। আপনাকে কাজ দিলে প্রথমেই আপনাকে সুযোগ দেবার জন্য থ্যাংক্স দিবেন।
আপনি কাজ জমা দিলে দেখবেন ওরা( সাউথ ইস্ট এশিয়া বাদে) এমন ভাবে থ্যাংক্স বলতেছে ,যেন আপনি দয়া করে ওদের জন্য আর্টিকেল লিখেছেন। এশিয়া বাদে বাকি ফরেইনারদের এই আচরণটা আমার খুব ভাল লাগে। তাই, আপনি আগে থেকে খাতির করা শুরু করলেও নিজেকে ছোট ভাববেন না।
চেষ্টা করবেন তার স্কাইপি আইডি টাও নিতে। তবে, Dollar দেয়ার আগে না। কার মনে কী থাকে কে জানে !! হয়ত রিপোর্ট করেও বসতে পারে।
কোডিং এর কাজ করলে বিশেষ পরামর্শ
** মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সারে এসে যে আপনাকে কাজ দিয়েছে, সে কিছু হলেও কম্পিউটার বুঝে। বাংলাদেশিরা কিছু বুঝেনা বলে, তাদের থেকে একটা স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বানাতে ৩ হাজার টাকা রেখে দেন। ওখানে আবার এই জিনিস চাইয়েন না। ওই ৬০ টাকার সাইটটাকে ৫৯.৯ টাকা বলবেন (তাহলে দেখতে কম টাকা মনে হয়)।
ওদেরকেও ঘোল খাওয়ানো যায় ঠিকই, কিন্তু এখনি দরকার নাই।
** কখনও সময় অনুযায়ী কাজ করতে না পারলে দয়া করে বাংলাদেশের লোডশেডিং এর অজুহাত দিয়েন না। ডুবন্ত বাংলাদেশকে আর পাড়া দেবার দরকার নেই। তাছাড়া, আপনার ইমেজও কমে আর আপনার উপর তার নির্ভরতাও কমবে।
** কাজ নেবার আগে সে সোর্স কোড সহ চায় কী না, জিজ্ঞাসা করে নিয়েন। সে অনুযায়ী দাম ধরবেন।
**নিজের কী ওয়ার্ডে যত জীবনে যেই সফটওয়্যারের নাম শুনছেন, লিখে ভরে দিয়েন না। চেষ্টা করবেন, নিজেকে কিছু একটার উপর স্পেশালিস্ট হিসেবে প্রমাণ করতে।
মানে, সব খেলা মোটামুটি পারে, এমন লোককে কেউ চায় না। ক্রিকেট বোর্ড চায়, ভাল ক্রিকেট খেলে যে তাকে। সে খারাপ ফুটবল খেললেও কিছু যায় আসে না। তাই, গ্রুপ গ্রুপ করে সফটওয়ারের নাম দেন প্রোফাইল আর কী ওয়ার্ডে। আপনি ব্যানার বা লগো ডিজাইন সংক্রান্ত কাজ করতে চাইলে বলেন - কোরেল, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, গিম্পশপ বা আরও অন্য কিছু থাকলে। কিন্তু নাম বাড়াতে যেয়ে ভিতরে মাইক্রসফট পেইন্টের কথা দেয়ার দরকার নেই।
** যেহেতু কোডিং সংক্রান্ত কাজ এখানে যা আসে, একটু বড়ই হয়। তাই ওদেরকে দেখাবেন যে আপনার একটা কোম্পানী নিদেন পক্ষে একটা টিম আছে। সবাই মিলে কাজ করবেন, তাই আপনি সত্যিই অনেক দ্রুত কাজ শেষ করে দিতে পারবেন ।
তাছাড়া, দেখানোর জন্য না, এমনিতেও এটা একটা ভাল স্ট্র্যাটেজি। টিমের সবার একাউন্ট থাকবে। একেকজন একেকটা বিড করবে। যেই যেটা পাক, সবাই মিলে কাজ করে শেষ করে দিবে আগে আগে।
এভাবে তাড়াতাড়ি কাজ দেখাতে পারলে ক্লায়েন্ট ধরে রাখার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
** ফ্রিল্যান্সারে দেখবেন, এক্সাম দেবার সিস্টেম আছে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। বিভিন্ন বিষয় আর ক্যাটাগরি নিয়ে অনেক কিছু আছে। কিছু কাজ পাবার পরে ৫ Dollar খরচের মত হাতে থাকলে, একটা করে এক্সাম কিনে ফেলবেন। এগুলা পাস করতে পারলে, আপনার প্রোফাইলে দেখায়। আর প্রজেক্ট ওউনারও ধরতে পারে যে আপনি যোগ্য। একেবারে শেষের দুটা এক্সাম দেখবেন ফ্রি। ফ্রিল্যান্সারে আরও কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে ও দুটো দিয়ে ফেলবেন এক সময়।
আর্টিকেল/ রিভিউ/ রিসার্চ/ ট্রান্সলেশন এসব কাজ যারা করতে চান, তাদের জন্য বিশেষ পরামর্শ
সেলফোন ব্যবহার করতে কী ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার হতে হয়?
হয়না কিন্তু। একই ভাবে কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে উপার্জন করতে গেলে, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়াটা আবশ্যক কিছু না।
এই কথাটা মাথাতে প্রথমেই ভাল করে ঢুকিয়ে ফেলুন।
আরেকটা জিনিস। সেটা হল, ইনকাম কখনই সোজা না যদি সেটা সৎ পথে হয়। অসৎ পথে যদিও ইনকাম সোজা হয়, তবুও সেটা একপক্ষের জন্য। আরেকপক্ষের জন্য পুরাটাই লস।
আপনি কত Dollar পাচ্ছেন তার চেয়ে বড় কথা আপনি কী করছেন? একটা আর্টিকেল মানে ছোটখাটো রিসার্চ। আপনি নিজেও কিন্তু জানলেন। তাই না?
copyscape.com আর http://www.paperrater.com/free_paper_grader এখানে যান। দেখেন, আপনি যদি কারও লেখা নকল করে কপি পেস্ট করেন, অথবা এখান থেকে ওখান থেকে লেখা টুকে নেন, এমনকি ফ্রেঞ্চ লেখাও যদি ইংরেজিতে ট্রান্সলেশন করে ফেলেন -- এই দুটো সাইটে সব ধরা যায়। কোনটা থেকে কত % নিছেন, সেটা পর্যন্ত বলে দিচ্ছে। হুবহু। প্ল্যাগারিজম এর % জানিয়ে দিচ্ছে।
তাই সব ধরণের আর্টিকেল জবে বলা থাকে কপিস্কেপ পাস থাকতে হবে ১০০%।
এর চেয়ে গুগলে গুতাগুতি করেন। ভাল লেখা পড়েন। ৭-৮ টা এক টপিকের উপর লেখা পড়লে আপনি সহজেই নিজের ভাষায় আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
রিরাইট প্রজেক্টও মাঝে মাঝে দেয়া থাকে। Dollar কম দেয়। এটা মানে হল, একটা আর্টিকেল এর কিছু শব্দ সিনোনিম করে ওটাকে নিজের বলে চালিয়ে দেয়া। এগুলাতে প্ল্যাগারিজম % ধরা একদম সোজা। আবার এটাও ঠিক যে, এভাবে করলে কাজ অনেক ফাস্ট হয়।
ব্যক্তিগত ভাবে আমি বলব, প্রথম ১ মাস সব কাজ নেন। এর পর আর এসব রিরাইটিং এর কাজ নিয়েন না। কারণ, অরিজিনাল আর্টিকেল লিখতে গেলেও ঘুরে ফিরে ৪-৫ টা আর্টিকেলের কথাই ব্রেইনে থাকে।
সহজে দারুণ কোয়ালিটির আর্টিকেল লেখার আরও কিছু ব্যাপার আছে। আপনি নিজে যখন ১০০ এর উপর আর্টিকেল লিখে ফেলবেন প্রতিটা ৫০০/৬০০ শব্দের মত, তখন আপনি নিজেই বুঝবেন।
আমি এই লাইনেই আছি বলি, সব কিছু শেয়ার করলাম না। তবে আমার এটা নিয়ে ভবিষ্যত প্ল্যান আছে।
ফ্রিল্যান্সারে দেখবেন, এক্সাম দেবার সিস্টেম আছে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। বিভিন্ন বিষয় আর ক্যাটাগরি নিয়ে অনেক কিছু আছে। কিছু কাজ পাবার পরে ৫ Dollar খরচের মত হাতে থাকলে, একটা করে এক্সাম কিনে ফেলবেন। এগুলা পাস করতে পারলে, আপনার প্রোফাইলে দেখায়। আর প্রজেক্ট ওউনারও ধরতে পারে যে আপনি যোগ্য। একেবারে শেষের দুটা এক্সাম দেখবেন ফ্রি। ফ্রিল্যান্সারে আরও কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে ও দুটো দিয়ে ফেলবেন এক সময়।
এখন আসা যাক, স্যাম্পলের কথায়। আপনি যদি একদমই নতুন শুরু করেন। তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার স্যাম্পল থাকবে না। আপনি কিছু বিষয়ে যদি আর্টিকেল তৈরিও করেন, তাহলেও সেগুলা যাদের স্যাম্পল হিসেবে দিবেন, তারা যদি নিজেরা ব্যবজারে করে ফেলে ??
আবার, বার বার প্রতি বিডে স্যাম্পল লিখা ডকুমেন্ট ফাইল আপলোড করাটাও কষ্টের।
এর চেয়ে ভাল, আপনি কয়েক ক্লিকে একটা ব্লগস্পট একাউন্ট বানিয়ে ফেলেন। সুন্দর করে এটাকে সাজান। এখানে আপনার স্যাম্পল গুলা পোস্ট করেন। পরে এসব পেজের লিংক সবখানে দিবেন।
সাইট বানানো(একেবারেই সোজা) বা সাজানো নিয়ে যদি অভিজ্ঞতা না থাকে, অথবা, ধৈর্য্যে না কুলায় তাহলে আমি আপনাদের সবার জন্য একটা সাইট বানিয়ে দিতে পারি।
এখানে শুধু আপনাদের স্যাম্পল আর্টিকেল গুলা থাকবে।
আর, অবশ্যই সেগুলা আপনার নামে থাকবে। এমনকি এই সাইটের লিংক দিয়ে আপনি যদি কোন প্রজেক্ট ওউনারকে বলেন যে, আমার কাছে অমুক দামে বিক্রি করেছেন; সেই প্রযেক্ট ওউনার আমাকে মেইল দিলে আমি তাকে সেটা জানিয়ে দিনে পারি।
এখন কথা হল এই কাজটা ত আপনি অন্য একটা ইমেইল একাউন্ট দিয়েও করতে পারেন বা আপনার যে কোন বন্ধুই পারেন।
এটার উত্তর ২ টা। জ্বী পারেন। আপনি অন্য ইমেইল এড্রেস দিয়েও পারেন বা আপনার বন্ধুও পারেন। তাহলে আরও ভাল। ধরেন, আমি আপনার বন্ধুই। :-D
আরেকটা উত্তর হল, প্রজেক্ট ওউনাররা সাধারণত কাউকে জিজ্ঞাসা করেনা। কিন্তু আপনি শুধু ফ্রি ল্যান্সারে আটকে থাকবেন না নিশ্চয়ই। আপনি বাস্তবেও একসময় ক্লায়েন্ট পাবেন, এখন যেমনটা আমি পাই।
তখন বাস্তবে সে দেখতে পারে যে, একটা ওয়েবসাইটে অনেক লেখকের আর্টিকেল আছে, তখন সেই ওয়েবসাইট আমার বললে, সে হয়ত আমার কথার দাম দিবে।
অর্থাৎ পুরো ব্যাপারটাই খুব আপেক্ষিক। আপনি আপনাদের একটা ওয়েবসাইটের লিংক দেই। সেখানে স্যাম্পল দেয়ার সিস্টেম দেখিয়ে দেই। এখন যদি ওখানে অনেক আর্টিকেল জমা পড়ে, তাহলে আলাদা ভ্যাল্যু আসবে। নইলেও অবশ্য লস নেই। ওখানে আপনার আর্টিকেল যেই পেইজ়ে, সেটাকে আপনার স্যাম্পল হিসেবে সবখানে ব্যবহার করতে পারেন।
(আর এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আমি অবশ্যই আপনার আর্টিকেলকে কোন ভাবে ব্যবহার করা হবে না। আপনার নাম লেখা আর্টিকেল আপনারই থাকবে। আমি একটা বিন্দুও ছোঁব না। আপনি নিশ্চিত থাকেন।)
সাইটটা দেখেন এই ঠিকানায়। BEHEMOTH Articles.
আমি আবারও বলছি, এটা শুধুই আপনাদের হেল্প করার জন্য। পুরো ব্যাপারটাকে অন্যভাবে নেয়ার কোন কারণ নেই।
বাংলাদেশে আর কারও আর্টিকেল ডিরেক্টরি আছে কী না জানি না, আমি অন্তত দেখিনি। এটা একটা আর্টিকেল ডিরেক্টরি, এখানে ৫০০ এর বেশি আর্টিকেল লিখেছেন ৩০০ এর বেশি রাইটার। এখানে আপনি নিজে প্রোফাইল খুলতে পারবেন, সেই প্রোফাইল এডিট করে আপনার ইমেইল এড্রেস এবং আপনার যোগ্যতা গুছিয়ে লেখার সুযোগ পাবেন। এই বক্স টা একদম আপনার আর্টিকেলের নিচেই আসবে। স্যাম্পল হিসেবে আর্টিকেল ডিরেক্টরির লিংক যে কোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।
স্যাম্পল আর্টিকেল হিসেবে লিখতে পারেন, সুন্দরবন আর কক্সেজবাজার নিয়ে। ১০০০ শব্দের। আরেকটা লেখেন, ফ্রিল্যান্সার সাইটটা নিয়েই। ৫০০/৬০০ শব্দের। আরেকটা লিখেন আপনার স্বপ্নের হলিডে নিয়ে।৫০০/৬০০ শব্দের। একবারে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। একটা একটা করে লিখেন। আরেকটা জিনিস, কেউ এখন ইনফরমেশন চায় না। ইনফরমেশনের জন্য মানুষ উইকিপিডিয়ায় যায়। মানুষ জানতে চায়, ব্যাপারটা কী! মানুষ যখন কোন কিছু বুঝতে চায় তখনই আর্টিকেল দেখে। ব্যাপারটা এমন যে, একটা সিনেমার সাউন্ড ডিরেক্টরের নাম কেউ জানতে চায় না। এগুলা দিয়ে সিনেমার রিভিউ ভারি করার দরকার নেই আপনার। আপনার কেমন লাগছে সেটা জানাবেন আপনার সাইটে, আর্টিকেলে না। ঐ সিনেমা নিয়ে আর্টিকেল লিখলে, এভাবে লিখবেন যে, ঐ মুভিতে আসলে কী আছে ! তাহলে যে পড়বে,সে বুঝবে যে তার ভাল লাগবে কী না !
আপনারা যদি চান, ঐ সাইটে যার যার স্যাম্পল পড়বে, আমি তার রেটিং ও দিতে পারি।
তবে, আপনি যখন স্যাম্পলের লিংক দিবেন, তখন আপনি আলাদা গুরুত্ব পাবেন অনেক। আর, আমি যে বিষয়ে দিয়েছি, তা নিয়েই লিখতে হবে এমন কথা নেই। আমি ত এমনিই উদাহরণ দিলাম। এগুলা বেশ ভাল চয়েস।
আপনাদের যে কোন প্রশ্ন থাকলে, পরামর্শ বা সমস্যা থাকলে বলতে পারেন। আপনাদের কমেন্টে অণুপ্রাণিত হই।

3 comments:
Khub valo hoise vai! Latest update rakhen please na hoile amarare ke help korbo.
onek dhonnobad.
latest onek onek shamne chole eshesi vai. Ashole ekta jinish nie thakte thakte onno onek jinish clear hoe jaay.
valo thakben. ami site ta amar nijossho domain e nibo ghubi druto...
tokhon regular update hobe. :)
আমি এইসকল চিন্তা খুব কম করি। তবে যতটুকু করি তা সোস্যাল বাংলা এই সাইট থেকে সাজেশন পাই। আপনার চাইলে এই সাইট দেখতে পারেন।
Post a Comment